“বুদ্ধিমান বানর আর ভুলোমনা বিজ্ঞানী”
আত্ম-উন্নয়নই সবচেয়ে বড় উন্নয়ন। জ্ঞানী হওয়া ভালো, কিন্তু সচেতন হওয়া আরও জরুরি।
এক দেশে একজন অদ্ভুত বিজ্ঞানী ছিল। তার নাম ড. এলবার্ট। তিনি এতই বুদ্ধিমান ছিলেন যে, কখনো কখনো নিজের জুতো কোথায় রেখেছেন সেটাও ভুলে যেতেন!
একদিন তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি এমন একটি যন্ত্র বানাবেন যা মানুষের ভুলে যাওয়ার সমস্যা দূর করবে।
তিনি জঙ্গলে গিয়ে একটি খুব বুদ্ধিমান বানরকে ধরে আনলেন। ভাবলেন, বানরের স্মৃতিশক্তি পরীক্ষা করে তিনি তার যন্ত্র উন্নত করবেন।
প্রতিদিন তিনি বানরটিকে বিভিন্ন জিনিস মনে রাখতে দিতেন, “এই কলা লুকিয়ে রাখলাম, খুঁজে বের করো!”
বানর একদম ঠিক জায়গা থেকে কলা বের করে ফেলত।
বিজ্ঞানী খুব খুশি! কিন্তু একদিন সমস্যা হলো।
তিনি নিজেই ভুলে গেলেন, বানরটাকে খাঁচায় রেখেছেন নাকি ছেড়ে দিয়েছেন!
সারাদিন খুঁজে খুঁজে শেষে ক্লান্ত হয়ে তিনি নিজের ল্যাবে ফিরে এলেন।
দেখেন, বানরটা চুপচাপ বসে আছে, আর তার ডেস্কে একটা কাগজ।
কাগজে লেখা (বানর নিজের মতো করে আঁকিবুঁকি করেছে):
“তুমি আমাকে পরীক্ষা করছো, কিন্তু নিজের ভুলটা দেখছো না!”
বিজ্ঞানী লজ্জা পেলেন।
তিনি বুঝলেন, তিনি মেশিন বানানোর চেয়ে নিজের অভ্যাস ঠিক করলেই বেশি উপকার হতো।
শেষে তিনি বানরটাকে মুক্ত করে দিলেন, আর নিজের জন্য একটা নতুন নিয়ম বানালেন: “প্রতিদিন নিজের ভুলগুলো আগে ঠিক করো, তারপর অন্যকে শেখাও।”
আমরা অনেক সময় অন্যের সমস্যা ঠিক করতে চাই, কিন্তু নিজের ভুলগুলো দেখি না।
আত্ম-উন্নয়নই সবচেয়ে বড় উন্নয়ন।
জ্ঞানী হওয়া ভালো, কিন্তু সচেতন হওয়া আরও জরুরি।
Thank you sir such kind of story which change myself first.
একদম ঠিক
Thank you
আমাদের নিজের সমস্যাটা সব সময়ই এক অজানা যুক্তির আড়ালে থেকে যায় বিধায় সবাই জ্ঞানী হতে চাই নিজে সচেতন না হয়ে!
ধন্যবাদ স্যার