“মানুষ বড় লেখা পড়তে চায় না কেন? “মজার ব্যাখ্যা”
তাই এখনকার পৃথিবীর নিয়ম, যে কম লিখে, সে বেশি পড়া হয়। যে ছবি দেয়, সে সবচেয়ে বেশি বোঝা হয়।
“মানুষ বড় লেখা পড়তে চায় না কেন? “মজার ব্যাখ্যা”
এক সময় মানুষ চিঠি লিখত ১০ পৃষ্ঠা,
উপন্যাস পড়ত ৫০০ পৃষ্ঠা,
আর এখন WhatsApp-এ কেউ ৫ লাইনের বেশি লিখলে রিপ্লাই আসে:
“ভাই, সংক্ষেপে বলো।”
মানুষের ব্রেন এখন একটু অন্যরকম হয়ে গেছে। আগে ব্রেন ছিল উপন্যাস মোডে, এখন ব্রেন চলে নোটিফিকেশন মোডে।
মানুষের মস্তিষ্ক এখন এমন– আপনি যদি বড় লেখা দেন, ব্রেন বলে, “এটা কি পরীক্ষা নাকি? আমি পড়বো না!”
আপনি যদি ছোট লেখা দেন, “হুম, এটা পড়া যায়।”
আপনি যদি ছবি দেন, “ওহ! এটা তো পড়তেই হবে না, শুধু দেখলেই হবে। দারুণ!”
আসল কারণ, মজার কিন্তু সত্য,
১. মোবাইল স্ক্রল রোগ
মানুষ এখন সবকিছু স্ক্রল করে দেখে।
মস্তিষ্ক শিখে গেছে, “Scroll = Life”
২. ধৈর্য কমে গেছে
আগে মানুষ প্রেমপত্রের জন্য ৭ দিন অপেক্ষা করত।
এখন ৭ সেকেন্ডে রিপ্লাই না দিলে রাগ করে।
৩. ছবি মানে শর্টকাট জ্ঞান
১০০০ শব্দের লেখা = ১টা ছবি
তাই মানুষ ভাবে: “ছবি দেখলেই তো বুঝে ফেললাম, পড়বো কেন?”
৪. বড় লেখা দেখলেই ব্রেন ভয় পায়
যেমন ছাত্ররা প্রশ্ন দেখে ভয় পায়।
ব্রেন বলে,
“এত বড় লেখা মানে নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ…
গুরুত্বপূর্ণ মানে কঠিন…
কঠিন মানে পরে পড়বো…
পরে মানে কখনোই না।”
মানুষ এখন তিনটা জিনিস পছন্দ করে,
i. ছোট লেখা;
ii. গল্প,
iii. ছবি।
তাই এখনকার পৃথিবীর নিয়ম,
যে কম লিখে, সে বেশি পড়া হয়। যে ছবি দেয়, সে সবচেয়ে বেশি বোঝা হয়।
শেষে মজা করে বলি,
মানুষ এখন বই কম পড়ে,
কিন্তু ক্যাপশন বেশি পড়ে।
উপন্যাস কম পড়ে,
কিন্তু মিম খুব মন দিয়ে পড়ে।”
Excellent findings
Thank you